Bangladeshi researchers discover wonderful nose drop, destroy corona in 5 minutes

বাংলাদেশী গবেষকদের বিস্ময়কর নাকের ড্রপ আবিষ্কার,৫ মিনিটে করোনা ধ্বংস

প্রকাশিত: ৪:৩১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৫, ২০২১
লাইট হাউজ ফাইল ফটো

নিজস্বসংবাদদাতা :  ‘বঙ্গোসেইফ ওরো নেইজল স্প্রে’ সরকারের গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিকেল মেজারমেন্ট-বিআরআইসিএমএর বিস্ময়কর এক আবিষ্কার।প্রতিষ্ঠানটির দাবি ৩ থেকে ৪ ঘন্টা পর পর নির্দিষ্ট হারে নাক ও মুখে এই স্প্রে প্রয়োগ করলে ধ্বংস হয় করোনার জীবাণু।

বঙ্গোসেইফ ব্যবহারে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে কমে যায় ভাইরাল লোড।আক্রান্ত রোগীর মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস করার পাশাপাশি কমিউনিটি ট্রান্সমিশনে রাখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। যা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দুইশত কোভিড আক্রান্ত রোগীর ওপর প্রাথমিকভাবে পরীক্ষায় প্রমাণিত বলছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিআরআইসিএম বলেন, বঙ্গোসেইফ ওরো নেইজল স্প্রে তে ভাইরাস মারা যাচ্ছে কিনা, কোন ডোজে দিলে এটা সবচেয়ে ভালো কাজ করে, এটার ইফেক্টিভ কতক্ষণ পর্যন্ত থাকছে  আমরা সেটা এনসিওর করেছি। আমরা যে ডোজটা  ফাইনালি নির্ধারণ করেছি তাতে করে ৮০ শতাংসের মতো এটি রিকভার করে। পৃথিবীতে এ ধরনের আবিষ্কার এটাই প্রথম ।

ব্যক্তির মুখ, নাক ও চোখ দিয়েই প্রবেশ করে করোনার জীবাণু এবং সেখানে কিছুকাল অবস্থান করে ভাইরাসটি। এজন্যই বঙ্গোসেইফ ওরো নেইজল স্প্রেটি প্রয়োগ করতে হয় নাকে ও মুখে। একবার স্প্রেটি নাকে ব্যবহার করলে এটি তিন ঘন্টা করোনা ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করবে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।

বিআরআইসিএম জানায়, বঙ্গোসেইফ ২০ এমএল এর একটি স্প্রে একজন মানুষের এক মাসের জন্য যথেষ্ট এবং দুই নাকে ২ চাপ করে দুইবার এবং মুখে তিনবার এভাবে করে যদি স্প্রে করা হয়, তাহলে তিন থেকে চার ঘণ্টায় ওই এরিয়ায় যেটুকু ভাইরাস থাকবে সেটাকে ধ্বংস করবে।  পাশাপাশি ভাইরাস যাতে সাসটেইন করতে না পারে সেই ইনভারমেন্টটি ক্রিয়েট হবে এবং তিন থেকে চার ঘণ্টা ভাইরাস থেকে প্রটেক্ট করবে। ডিআরআইসিএম  বলছে, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমতি চেয়ে দ্রুতই বিএমআরসি তে আবেদন করবে তারা।

এদিকে বাংলাদেশী বিজ্ঞানীদের আবিষ্কারকে  সাধুবাদ জানালেও সকল কার্যক্রম ও বৈশ্বিক মানদন্ড মেনে করার পরামর্শ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের।

বঙ্গোসেইফ এর আন্তর্জাতিক পেটেন্ট এর জন্য সিঙ্গাপুরে আবেদন করা হবে বলেও জানায় প্রতিষ্ঠানটি।